1. ehiaahmedliton@gmail.com : Ehia Ahmed Liton : Ehia Ahmed Liton
  2. vatirkhantha@gmail.com : Vatir Khantha : Vatir Khantha
৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| রবিবার| রাত ১০:২১|
শিরোনামঃ
গোয়াইনঘাটে দিনব্যাপী জেবুন্নাহার সেলিমের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ দিরাইয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আজমল চৌধুরী জাবেদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল জগন্নাথপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উদযাপন এর লক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত ছাতকে সার ডিলার নিয়োগ পুনর্বিবেচনা ও খুচরা ডিলার বহালের দাবিতে মানববন্ধন সুনামগঞ্জ-১ আসনের ধর্মপাশায় ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুল হকের পক্ষে জনতার মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে ৪ নং দরবস্ত ইউনিয়ন জাসাসের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল জগন্নাথপুরে জাতীয় প্রাণিসপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী আলোচনা সভা ২০২৫ উদ্বোধন ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার দিরাইয়ে জাতীয় প্রাণী সম্পদ সপ্তাহের উদ্বোধন স্বর্ণ পদক পেয়েছে দুধওয়ালা ফুড প্রোডাক্টস

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয়

সিলেট জার্নাল ডেস্ক
  • আপডেটের সময় সোমবার, মার্চ ১৮, ২০২৪,
  • 474 বার দেখা হয়েছে

চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে প্রতি বছর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখেন সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করায় এবং ইফতারে পরিমাণমত পানি পান না করায় এ সময় হতে পারে খুব সহজেই পানিশূন্যতা।

পানিশূন্যতা হলে শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, অতিরিক্ত মুখ বা ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। এর থেকে তৈরি হতে পারে নানা জটিলতা। নিয়মিত পরিমাণমতো পানি ও পানি জাতীয় খাবার খেলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

রোজার সুস্থ ও পানিশূন্যতামুক্ত থাকতে চাইলে কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি-

>> ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়ে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি খেতে হবে অবশ্যই। প্রতিবেলা খাওয়ার ১০ মিনিট আগে ও কিছুক্ষণ পরে ১ গ্লাস করে পানি খেতে হবে। খাওয়ার মাঝখানে পানি খাবেন না কিংবা একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি খেয়ে ফেলবেন না। ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত শোষণ হয় বলে কুসুম গরম পানি পান করা যেতে পারে।

>> রোজায় সময় খাদ্য তালিকায় এমন খাবার রাখবেন যেগুলো সহজে হজম হয়। ভাজাপোড়া কিংবা রিচ ফুড শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তোলে।

>> ইফতার মেন্যুতে পানিজাতীয় খাবার ও ফল রাখুন। বেশি করে খেতে পারেন শসা ও তরমুজ। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। সঙ্গে থাকতে পারে শরবত।

>> ডাবের পানি খেতে পারেন প্রতিদিন। প্রয়োজনে স্যালাইন খান।

>> প্রয়োজন ছাড়া রোদে যাবেন না কিংবা রোজা রেখে ভারি ব্যায়াম করতে যাবেন না। এতে ঘাম বেশি হয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে।

>> ইফতারের পর অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়া অনুচিত।

>> অনেকেই ইফতারের পর ফ্রিজে রাখা অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করেন, এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

>> নিয়মিত গোসল করতে হবে, খুব খারাপ লাগলে চোখেমুখে পানির ঝাপ্টা দিতে পারেন।

>> টকদই ও লাচ্ছি যোগ করতে পারেন ইফতারে।

>> খেজুর, ফল, জুসের সঙ্গে ইফতারে রাখতে পারেন পান্তাভাত, যা সারাদিনের রোজার শেষে আপনার দেহে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

>> ডায়রিয়া বা জ্বর বা অতিরিক্ত বমি হলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

>> গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর চিনি থাকায় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়ে। এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন, যা দেহে তরলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তৃষ্ণাও মেটায়।

সংবাদটি ভালো লাগলে আপনার টাইম লাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2024 VK24