1. ehiaahmedliton@gmail.com : Ehia Ahmed Liton : Ehia Ahmed Liton
  2. vatirkhantha@gmail.com : Vatir Khantha : Vatir Khantha
১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৭:৪০|
শিরোনামঃ
দিরাই উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোস্তফা সর্দার রুমি সুনামগঞ্জের ছাতকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সুনামগঞ্জে বিএনপি-জমিয়তের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা দিরাই-শাল্লার মানুষ আমার আপনজন, আমার ভালোবাসা— নাছির উদ্দিন চৌধুরী জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে সৈয়দ তালহা আলমকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় জগন্নাথপুরে আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন গোয়াইনঘাট লেঙ্গুড়া হেলিপ্যাড মাঠে আরিফুল হক চৌধুরী সমর্থনে গনসংযোগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের পথপ্রদর্শক ও আলোকবর্তিকা- নাছির উদ্দিন চৌধুরী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মাটি ও মানুষের নেত্রী ছিলেন: আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে— নাছির উদ্দিন চৌধুরী

সিলেটে সেলাই মেশিনের শব্দে মুখরিত দর্জীপল্লী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় মঙ্গলবার, এপ্রিল ৯, ২০২৪,
  • 469 বার দেখা হয়েছে

হাফিজুল ইসলাম লস্কর, সিলেটঃ মহিমান্নিত মাস রামাদ্বানের অন্তিম সময়। আর দু-দিন পরই বিশ্ব মুসলিমের খুশির দিন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দিন কিংবা রাত বিরাহীন ব্যস্ত সময় পার করছে সিলেটের দর্জীপাড়াগুলো। ঈদে সকলেই চাই নতুন কাপড়। কেউ সন্তুষ্ট রেডিমেট পোশাকে আর কারো পছন্দ টেইলারের তৈরী পোশাকে। আর তাই মন মতো ঈদের পোশাক তৈরী করতে দর্জী পাড়ায় ভীড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। আর ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে বিরামহীন নির্ঘুম রজনী পাড় করে কাজে ব্যস্ত দর্জীপাড়ার দর্জিরা।

ক্রেতাদের চাহিদা ও আধুনিকতার সংমিশ্রনে পোশাক তৈরী করছেন টেইলাররা। ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করছেন দর্জীপাড়ার কারিগররা। দর্জীপাড়া ঘুরে দেখা যায়, সিলেটের জিন্দাবাজার, করিমউল্লাহ মার্কেট, রংমহল টাওয়ার, মসজিদ মার্কেট, শেখঘাট, তালতলা পয়েন্ট, কুমারপাড়া, মদিনামার্কেট, কাজীম্যনশনসহ সিলেটের দর্জীপাড়াগুলোর কারিগররা ব্যাস্ত নর-নারীদের পছন্দের পোশাক তৈরিতে। ইতিমধ্যে দর্জির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের লাইন লেগেছে তাদের পছন্দের পোশাক নিতে। টেইলারিং দোকানের কারিগররা ব্যাস্ত অর্ডার ডেলিভারি দিতে।

ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে অর্থাৎ রামাদ্বানের অন্তিম সময়ে দর্জিপাড়ার কারিগরদের ব্যস্ততা চরম আকার ধারণ করেছে। দর্জিপাড়ার কারিগরদের সাথে কথা বলতে গেলে এক কারিগর বলেন ভাই খুবই ব্যস্ত তাই কথা বলতে পারতেছিনা। ঈদের পরে আসেন জমিয়ে কথা হবে। প্রতিদিন সাজসকাল থেকে মধ্যরাত্রী পর্যন্ত দর্জিপাড়ায় শুধুই সেলাই মেশিনের শব্দ ছাড়া আর কিছুই শুনা যায়না। সেলাই মেশিনের শব্দে মুখরিত সিলেটের সকল দর্জীপল্লী। দর্জিদের যেন দম ফেলারও সময় নেই। গ্রাহককের চিহিদা মেটাতে নিঘুম রজনী অতিবাহিত হচ্ছে তাদের। কারিগররা কেউ মাপ নিচ্ছে, কেউ কাপড় কাটছে, কেউ আবার সেলাই করছে, কেউবা বোতাম লাগিয়ে আয়রন করে  অর্ডার বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি জামা সাজিয়ে রাখছে । এখন আর অর্ডার না নিলেও অর্ডার নেওয়া কাজ ঈদের আগে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে ।

অন্যান্য বছরে টেইলার্স গুলোতে রাজ্যের ব্যস্ততা আর সময়মত ডেলিভারী দিতে না পারার অজুহাতে অর্ডার নিতে অস্বিকৃতির কারনে এবার রোজার শুরু থেকেই টেইলার্স গুলোতে ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, পায়জামা আর মেয়েদের থ্রি-পিস, ব্লাউজ, বোরকা তৈরির অর্ডার ক্রেতারা আগেই দিয়ে দেন। রোজা যত বাড়ছে কাজের চাপ ততই বাড়ছে। আর তাতে বাড়ছে দর্জীপাড়ার কারিগরদের ব্যস্ততা। আর এইসব কাজ সময়মত বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক টেইলার্সে অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করেছে। জনপ্রিয় টেইলার্সের মালিক সুলেমান জানান – রোজার আগে কাজের অর্ডার বেশি থাকায় ডেলিভারি দিতে হিমসিম খাচ্ছি। তিনি আরও জানান, কাজের অর্ডার এখন পর্যন্ত অনেক। নতুন করে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছি। উপশহরের এক গ্রাহক জানান, ঈদের সময় সবাই চায় নতুন পোশাক পরতে । তিনি ছোটবেলা থেকেই তৈরি করা পাঞ্জাবি, পায়জামা ও শার্ট-প্যান্ট পরেন। প্রতি বছর দুই-তিন সেট পোশাক বানাতে হয়। ব্যতিক্রম হয়নি এবারের ঈদেও। এছাড়া ভাই, ভাগনাসহ পরিবারের জন্য পছন্দের পোশাক বানাতে দর্জির দোকানে আসা। কারণ একটাই রেডিমেড পোশাকের চাইতে বানানো পোশাক টেকসই ও উন্নত। ঈদ উপলক্ষে দর্জিরা মজুরি নিচ্ছে বেশি। যদি দামটা একটু কম থাকতো তাহলে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ভালো হতো । তবে দর্জিরা বলছে, ঈদকে সামনে রেখে গত বছরের চেয়ে এবছর প্রচুর অর্ডার আসছে । তাছাড়া দোকানভাড়া, দর্জি কারিগদের পারিশ্রমিক , বিদ্যুৎ বিলসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ছেলেদের প্যান্ট ৩০০- ৩৫০ টাকা, শার্ট ২৫০-৩০০ টাকা, পাঞ্জাবি ৪০০-৪৫০ টাকা, পায়জামা ২০০ – ২৫০ টাকা মেয়েদের থ্রি-পিস ২০০ – ২৫০ টাকা, কামিজ ১৮০-২০০ টাকা মজুরি নেওয়া হচ্ছে।

তারা আরো জানান অন্যান্য সময়ে একটি প্যান্ট ,শার্ট, পাঞ্জাবি, পায়জামা, মেয়েদেন থ্রি-পিস, কামিজসহ বিভিন্ন পোশাক থেকে বাড়তি মজুরি নেওয়া হচ্ছে ১০০টাকা। কিন্তু ঈদের সময় কারিগরদের পারিশ্রমিক বেড়ে যাওয়ায় এর মজুরি দাঁড়ায় ৪০০-৫০০ টাকা। তারা আরো বলেন, ভালো ব্যবসার জন্য ঈদ মৌসুমের অপেক্ষায় থাকেন। এ সময়ে তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় এবং তা অব্যাহত থাকে চাঁদ রাত পর্যন্ত।  তবে দর্জি দোকানে পুরুষ গ্রাহকের চেয়ে নারীরা গ্রাহক বেশি। ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবির দোকান গুলোতে তেমন ভিড় না থাকলেও মেয়েদের পোশাক তৈরির দোকান গুলোতো রয়েছে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষনীয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে আপনার টাইম লাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2024 VK24