1. ehiaahmedliton@gmail.com : Ehia Ahmed Liton : Ehia Ahmed Liton
  2. vatirkhantha@gmail.com : Vatir Khantha : Vatir Khantha
১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৭:৪০|
শিরোনামঃ
দিরাই উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোস্তফা সর্দার রুমি সুনামগঞ্জের ছাতকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সুনামগঞ্জে বিএনপি-জমিয়তের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা দিরাই-শাল্লার মানুষ আমার আপনজন, আমার ভালোবাসা— নাছির উদ্দিন চৌধুরী জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে সৈয়দ তালহা আলমকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় জগন্নাথপুরে আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন গোয়াইনঘাট লেঙ্গুড়া হেলিপ্যাড মাঠে আরিফুল হক চৌধুরী সমর্থনে গনসংযোগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের পথপ্রদর্শক ও আলোকবর্তিকা- নাছির উদ্দিন চৌধুরী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মাটি ও মানুষের নেত্রী ছিলেন: আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে— নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নদী ভাঙ্গনের কবলে সুনামগঞ্জের ব্রাক্ষ্রণগাঁও গ্রামের ৫শতাধিক পরিবার,পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় হতাশ গ্রামবাসি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় শনিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৪,
  • 282 বার দেখা হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ব্রাক্ষ্রণগাঁও গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের লোকজন নদী ভাঙ্গণের কবলে পড়ে ইতিমধ্যে সর্বস্ব হারিয়েছেন অধিকাংশ পরিবার। সরকার কিংবা স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না থাকায় দিশেহারা গ্রামবাসী।

শনিবার সরেজমিনে ঘুরে ও গ্রামবাদিসর সাথে কথা বলে জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার কুরবাণ নগর ইউপির ব্রাক্ষ্রণগাঁও গ্রামে ৫ শতাধিক হিন্দু,মুসলিম ভূমিহীন,দিনমুজুর ও কৃষকরা মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন।

কিন্তু বিগত ২০০৯ সাল থেকে ভয়াবহ শুরু হওয়া নদীভাঙ্গনে ইতিমধ্যে এই গ্রামের আড়াই শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা,চারটি মন্দির ও দুটি মসজিদ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। চলতি বছরের গত ১৬ই ডিসেম্বরের পর থেকে সুরমা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ব্যাপকভাবে নদীভাঙ্গণ দেখা দেয়ায় এতে আরো প্রায় শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি হুমকির মধ্যে রয়েছে।

ফলে সুরমা নদী তীরবর্তী এই গ্রামের মানুষজন তাদের বসতভিটা নিয়ে শংঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ তাদের। তারা বার বার জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ধারস্থ হলেও কেবলই আশার বানী শুনে আসলেও কার্যকরী কোন পদক্ষেন না নেওয়াতে হতাশা গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের হাজাঁরো লোকজন। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষজন ভূমিহীন,অস্বচ্ছল দিনমুজুর । তারা এই মৌসুমটাকে অন্যর বোরোজমি বর্গা নিয়ে কৃষিজমি আবাদ করছেন। অবিলম্বে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে তারা আগামী চৈত্রমাসের আগেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়লে পরিবার পরিজন নিয়ে কোথায় অবস্থান করবেন জানা নেই তাদের।

এ ব্যাপারে গ্রামের ভূক্তভোগী ভূমিহীন মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান,তার ইতিমধ্যে তিনটি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বর্তমানে যে চার নম্বর বাড়িটিতে বসবাস করছেন যেভাবে নদীর পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে তার এই শেস সম্বল এই বাড়িটি ও নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশংঙ্কা প্রকাশ করছেন। অবিলম্বে এই দিনমুজুরের বাড়িটি রক্ষার পাশাপাশি তার এই ব্রাক্ষ্রণগাঁও গ্রামটিকে রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের নিকট জোর দাবী জানান।

এ ব্যাপারের কুরবান নগর ইউপির ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান জানান,আমি একজন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি হিসেবে এই গ্রামের মানুষজনকে রক্ষা করতে বার বার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উধর্বতন কৃর্তপক্ষের ধারস্থ হয়ে ও আশার বাণী কেবলই শোনে আসলাম। কিন্তু বাস্তবে কথার সাথে কাজের কোন মিল না পাওয়াতে তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বর্তমান অন্তবর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে পানি মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টার নিকট জোর দাবী জানান,সরকার দ্রæত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে আগামী চৈত্রমাসের আগেই পুরো গ্রামটি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে।

এ ব্যাপারে কুরবান নগর ইউপি ,চেয়ারম্যান, মোঃ আবুল বরকত জানান,২০০৯ সালেআমার ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্রণগাঁও সহ আশপাশে কয়েকটি গ্রাম নদী তীরবর্তী হওয়াতে ব্যাপক নদীভাঙ্গন দেখা দিয়েছি। আমি বার বার জেলা প্রশাসনের উধর্বতন কর্তৃপক্ষের স্মরণাপন্ন হয়েছি নদী ভাঙ্গণের কবল থেকে এই গ্রামের মানুষজনকে রক্ষার জন্য। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে আশানুরুপ কোন বরাদ্দ না পাওয়াতে নদী ভাঙ্গণ রোধ করা সম্ভব হয়নি। অবিলম্বে এই অন্তবর্তী সরকার নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে কয়েকটি গ্রামের মানুষজনকে রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ -১ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মামুন হাওলাদার জানান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে গত ২০২৩ সালে জেলার বিভিন্ন এলাকাতে নদী ভাঙ্গণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পনি মন্ত্রনালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রনালয়ে থেকে নির্দেশনা পেলেই এই জেলার যে সমস্ত জায়গা নদী ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে সেখানে প্রটেকশন ওয়াল নির্মাণের পাশাপাশি বস্তা ফেলে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে ভূক্তভোগীদের রক্ষার জন্য কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে আপনার টাইম লাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2024 VK24