1. admfzh6qy@example.com : admfzh6qy :
  2. admlxuix0@example.com : admlxuix0 :
  3. ehiaahmedliton@gmail.com : Ehia Ahmed Liton : Ehia Ahmed Liton
  4. vatirkhantha@gmail.com : Vatir Khantha : Vatir Khantha
২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| সোমবার| সকাল ৮:৩২|
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভা হাওরাঞ্চলে ফসলরক্ষা বাঁধে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স —– পানিসম্পদমন্ত্রী ছাতকে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন: বাচ্চু মিয়া সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের দিরাইয়ে ইয়থ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের উদ্যোগে যুব সমাবেশ দিরাই সহ দেশের ৮ উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড দিরাইয়ে পুলিশের হাত থেকে পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিনতাই দিরাই উপজেলা বিএনপির ২১ সদস্য ১২ টি কেন্দ্রে ভোট দেবেন আপনাদের এই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই— নাছির উদ্দিন চৌধুরী জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটি গঠনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা দিরাই উপজেলা বিএনপির

তাহিরপুরের মৎস্যজীবিরা চলতি নদীতে বড়শি দিয়ে মৎস্য আহরণে বাঁধা,লিখিত অভিযোগ দায়ের

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় রবিবার, নভেম্বর ২, ২০২৫,
  • 246 বার দেখা হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের বড়খলা ও আনোয়ারপুর গ্রামের কিছু মৎস্যজীবি পরিবার জীবিকা নির্বাহের জন্য সোহাল গ্রাম থেকে গোয়াড়ারঘাট পর্যন্ত চলতি নদীতে বড়শি দিয়ে মৎস্য আহরণ করে সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্ত উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের মৃত হাজী বাদশা মিয়ার ছেলে মোঃ আক্তার হোসেন এই নদীটি তিনি ইজারা এনেছেন দাবি করে মৎস্যজীবিদের বড়শি দিয়ে মৎস্য আহরণে বাধাঁ প্রদান করছেন এমন অভিযোগ মৎস্যজীবিদের।

তারা রোববার(০২/১১/২৫ ইং) তারিখে দুপুরে মৎস্যজীবিদের পক্ষে রবি,গিয়াস উদ্দিন,যতিন্দ্র বর্মণ,দিগেন্দ্র বর্মণ,মনবিশাল,ইসলাম নুর সুহেলমান,নিজাম ও সুহেল মিয়া স্বাক্ষর নিয়ে বাধাঁ প্রদানকারী আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাযের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানান যায়,মৎস্যজীবিরা এই নদীতে মাছ ধরতে গেলে আক্তার হোসেন তাদের নিকট চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে মৎস্যজীবিদের মাছ জোরপূর্বক নিয়ে যায় এবং মারধর করতে কাপন্যবোধ করেন না। মৎস্যজীবিরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আক্তার হোসেন তাদের জানিয়ে দেন এই নদীটি সরকারীভাবে উনার নমে ইজারা আনা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগকারীরা বলছেন ইজারা আনা সম্পূর্ণতা মিথ্যা ও বানোয়াট। মৎস্যজীবিরা বলেন যদি আক্তার হোসেন এই নদীটা ইজারা সরকার থেকে নিয়ে আসেন তাহলে তিনি সীমানা চিহিৃত করার কথা বললে আক্তার হোসেন কোন কাগজপত্র দেখাতে রাজি নন। সহায় সম্বলহীন এই সব মৎস্যজীবিদের জীবন জীবিকার একমাত্র মাধ্যম হলো হাওর কিংবা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ আহরণ করে তা বাজারে বিক্রি করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। বর্তমানে তারা আক্তার হোসেনের হুমকিতে বড়শি নিয়ে নদীতে যেতে না পারায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারীর পক্ষে রবি ও গিয়াছ উদ্দিন জানান,আমরা মৎস্যজীবি সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের বেঁেচ থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো হাওর কিংবা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ আহরণ করতে পারলে চারটা ডালভাত কোনরকমভাবে খেতে পারি। এখন আক্তার হোসেন আমাদের বাঁধা প্রদান করায় আমরা মানবেতন জীবনযাপন করছি। আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আক্তার হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে তাহিরপুরের সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহরুখ আলম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০২.১১.২৫

সংবাদটি ভালো লাগলে আপনার টাইম লাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2024 VK24