স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জ সদর পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)’র উদ্যোগে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর এমআইপিএস প্রকল্পের সহযোগিতায় “নির্বাচনোত্তর বাস্তবতা: শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভা শুক্রবার বিকেলে লতিফা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান এর সভাপতিত্বে এবং পিএফজি সমন্বয়কারী ফজলুল করিম সাইদ এর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর এমআইপিএস প্রকল্পের একে কুদরত পাশা।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ সরকারী মহিলা কলেজ এর শিক্ষক মিজাজুল হক, সুনামগঞ্জ পৌর ডিগ্রী কলেজ এর মানিক উল্লাহ, বাংলাদেশ বে-সরকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোদাচ্ছির আলম সুবল, মাওলানা নুর হোসাইন, এডভোকেট হেলিনা আক্তার, জেলা যুবদলের শাহ ফরহাদ।
সভায় বক্তারা বলেন, পিএফজি একটি উদার, অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী, সহনশীল ও মানবিক সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ, সহিংসতা নিরসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ, ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনির্মাণ এবং সামাজিক সমস্যার সম্মিলিত সমাধানে সংগঠনটি নিরলসভাবে ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা নিরসন এবং স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-সম্প্রীতি জোরদারে পিএফজির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বক্তারা বলেন, “নির্বাচন গণতন্ত্রের উৎসব। নির্বাচনের সময় মতভেদ ও প্রতিযোগিতা থাকলেও নির্বাচনোত্তর সময়ে আমাদের প্রধান দায়িত্ব শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি অটুট রাখা। কোনো ধরনের সহিংসতা, প্রতিশোধ বা গুজব সমাজের জন্য কল্যাণকর নয়। ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করা এবং আইনের প্রতি আস্থা রাখা গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
তারা আরও বলেন, সংলাপ, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব ধরনের বিভেদ দূর করা সম্ভব। সকল রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন—বিভেদ নয়, সম্প্রীতি; সংঘাত নয়, সহাবস্থান—এই চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্বম্ভরপুর পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর আব্দুছ ছাত্তার. সুনামগঞ্জ পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর পিএফজির পিস অ্যাম্বাসেডর শাহিনা চৌধুরী রুবি, মাহবুবুল হাসান শাহীন, সিরাজুল ইসলাম পলাশ, পিএফজি সদস্য সালেহিন চৌধুরী শুভ, মুছিহুর রহমান রাসেল, আল-আমীন, জোবায়ের আহমদ জুলহাস, মাওলানা ফয়জুননূর, বিটু বড়ুয়া, রীনা আক্তার, প্রতীমা রানী দাস, প্রিয়াংকা, বাসস এর জেলা প্রতিনিধি আমিনুল হক, বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি কর্ণবাবু দাস, ওয়াইপিএজির ইয়াহিয়া, অনন্যা তালুকদার, শবনম দোজা জ্যোতি, উম্মে সুরাইয়া তাবাসসুম, আলী ইমরান, মোহাম্দ আলী, মিজানুর রহমান, ইয়থ এর লক্ষী রানী দাম প্রমুখ।