1. ehiaahmedliton@gmail.com : Ehia Ahmed Liton : Ehia Ahmed Liton
  2. vatirkhantha@gmail.com : Vatir Khantha : Vatir Khantha
১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ৯:০৫|
শিরোনামঃ
দিরাই উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোস্তফা সর্দার রুমি সুনামগঞ্জের ছাতকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সুনামগঞ্জে বিএনপি-জমিয়তের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা দিরাই-শাল্লার মানুষ আমার আপনজন, আমার ভালোবাসা— নাছির উদ্দিন চৌধুরী জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে সৈয়দ তালহা আলমকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় জগন্নাথপুরে আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন গোয়াইনঘাট লেঙ্গুড়া হেলিপ্যাড মাঠে আরিফুল হক চৌধুরী সমর্থনে গনসংযোগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের পথপ্রদর্শক ও আলোকবর্তিকা- নাছির উদ্দিন চৌধুরী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মাটি ও মানুষের নেত্রী ছিলেন: আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে— নাছির উদ্দিন চৌধুরী

ছাতকের জাউয়াবাজার ইউনিয়নের এক অভুক্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইউএনও

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় সোমবার, আগস্ট ১৮, ২০২৫,
  • 174 বার দেখা হয়েছে

ছাতক, প্রতিনিধিঃ

ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের বড়কাপন মাঝপাড়া গ্রামে মানবেতরভাবে জীবন যাপন করা আফিয়া বেগমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম।

রবিবার (১৭ আগস্ট ) রাতে খাদ্য সংকটে থাকা পরিবারের খবর তিনি ওই এলাকায় ছুটে যান এবং তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি তাতক্ষনিকভাবে অসহায় এই পরিবারকে ৫ বস্তায় চাল সহ প্যাকেটজাত খাদ্যসামগ্রী ও অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। ঘর মেরামতের ২ বান্ডিল সরকারি টিন ও প্রদান করেন ওই
অসহায় পরিবারকে।

সহায়তা প্রদানকালে জাউয়া বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক,ইউপি সদস্য আব্দুল কুদ্দুস সুমন, উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রবীণ রঞ্জন পুরকায়স্থ,আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে,দিনমজুর লোকমান আলী ও আফিয়া বেগম দম্পতির ৭ কন্যা ও এক ছেলে রয়েছে।অভাবের পরিবারে সচ্ছলতার আশায় লোকমান আলী মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমালেও দীর্ঘ অসুস্থতার পর দেশে ফিরেন ২০২৪ সালে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন তিনি। স্বামীর চিকিৎসায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা ঋণ করে আফিয়া বেগম এখন সন্তানদের লালন-পালন ও অসুস্থ শাশুড়ির দেখাশোনা নিয়ে দিশেহারা। অভাবের তাড়নায়
দুই কন্যাকে গৃহকর্মী হিসেবে ঢাকায় পাঠাতে বাধ্য হন তিনি। অভাব-অনটনের কারণে বেশিরভাগ দিনই অনাহারে – অর্ধা হারে দিন কাটাতে হয় এ পরিবারের লোকজন।

সাহায্য পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত আফিয়া বেগম বলেন, আমরা দিনে এক বেলা খাই, আর দুইবেলা খেতে পারি না। বাচ্চারা কান্না কাটি করলে কিছুই করার থাকে না। মাথাঘুরে, কখন মাটিতে পড়ে যাই বুঝতেও পারি না। ঘরের দরজা নেই, কাপড় বেঁধে রাখি। উনি না আসলে আজও না খেয়ে থাকতে হতো।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হক বলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুধুমাত্র প্রশাসক নন,তিনি এ সমাজে মানবিকতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।তাঁর এ উদ্যোগ আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।দ

এ বিষয়ে ইউএনও মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, এটা কেবল আমার দায়িত্ব নয়,আমার মানবিক কর্তব্যও।একজন মানুষ বা অসহায় পরিবারের কষ্টে পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসকের প্রকৃত দায়িত্ব।

সংবাদটি ভালো লাগলে আপনার টাইম লাইনে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2024 VK24